ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহণের আগেই গাজায় যুদ্ধবিরতি সম্ভব: কাতারের প্রধানমন্ত্রী

 

ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহণের আগেই গাজায় যুদ্ধবিরতি সম্ভব: কাতারের প্রধানমন্ত্রী
ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহণের আগেই গাজায় যুদ্ধবি

রতি 

ইসরায়েলের হামলার পর একটি ভবনের ধ্বংসাবশেষে নিজের পোষা বিড়াল নিয়ে দাঁড়িয়ে আহত এক কিশোর। গাজা উপত্যকার নুসাইরাত শরণার্থীশিবিরে

আপনার উল্লিখিত বিষয়টি সম্ভবত গাজা সংকট এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে। কাতারের প্রধানমন্ত্রী বা অন্য কোনো নেতার মন্তব্যের বিস্তারিত তথ্য পেতে এবং ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহণের আগেই সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত বিষয়টি যাচাই করতে আমি ওয়েবে অনুসন্ধান করতে পারি। একটু অপেক্ষা করুন, আমি বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছি।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল-থানি সম্প্রতি দোহা ফোরামে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০ জানুয়ারি শপথ নেওয়ার আগেই গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করতে আগ্রহী। তিনি জানান, ট্রাম্পের দল থেকে এই বার্তা এসেছে যে, তারা চান এই সংকটের সমাধান শপথ নেওয়ার আগেই সম্পন্ন হোক। citeturn0search0

এদিকে, ইসরায়েলি কর্মকর্তারা মিসর ও কাতারের মাধ্যমে হামাসের কাছে নতুন যুদ্ধবিরতি চুক্তির খসড়া পাঠিয়েছে, যাতে বাকি ১০০ জিম্মি মুক্তির বিনিময়ে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব রয়েছে। এই প্রস্তাবের মধ্যে ৪২ থেকে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি এবং হামাসের পক্ষ থেকে ৫০ বছরের বেশি বয়সী পুরুষ ও সব নারী জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। citeturn0search4

তবে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন, যা মধ্যস্থতাকারীদের প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করছে। কাতার, মিসর ও তুরস্কের নেতৃত্বে যুদ্ধবিরতি আলোচনা পুনরায় শুরু হলেও, ইসরায়েলের পক্ষ থেকে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে। citeturn0search1

সর্বোপরি, গাজা সংকটের সমাধানে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলেও, ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অবস্থান এবং নেতানিয়াহুর অস্বীকৃতির কারণে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা কঠিন হয়ে পড়েছে।

Comments